ম্যুভি রিভিউ- "দ্য স্পীড"

অনেকদিন পর বলাকায় গেলাম বাঙলা সিনেমা অনন্ত জলীল অভিনিত ম্যুভি "দ্য স্পীড" দেখতে। সিনেমা শুরুর আগে পর্দা সরে গেল সিনেমা হলের এবং স্বাভাবিক ভাবেই জাতীয় সংগীত মিউজিকে পরিবেশন । কিন্তু অবাক হয়ে দেখলাম প্রায় ৩০% দর্শক সে সময় বসা থেকে উঠার নাম পর্যন্ত করেনি এই কয়েক মিনিট দাড়িয়ে জাতীয় পতাকাকে সম্মান প্রদর্শণ করতে। সিনেমার শুরুই হলো বেশ দারুন সাউন্ডের ইফেক্ট দিয়ে। "দ্য স্পীড" নামটিকে সার্থক করতেই হয়তো।

১৯৯৯ সালের অক্টোবর মাসের কোন একদিন

মানুষের জীবনে বোধ সঞ্চারের এক নির্ভেজাল উপাদানের নাম কবিতা। কবিতা কখনো মানুষের মনকে রাঙিয়ে দেয়, কখনো বদনার কালো রঙ ঢেলে উপলব্ধিগুলোকে সতেজ করে তোলে; জীবন দর্শনের পথকে করে প্রশস্ত।

নারী-পুরুষ নিয়ে একটি বৈষম্যহীন সমাজের কথা বলি

'জেন্ডার' শব্দটি মুলত নারী ও পুরুষ উভয়কেই বোঝায়, বোঝায় নারী-পুরুষকে নিয়ে বৈষম্যহীণ সমাজের, রাষ্ট্রের কথা। সংস্কৃতি ও সমাজ নারী ও পুরুষ সম্পর্কে যে সব দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধ গড়ে তোলে, ভিন্ন ভিন্ন আচরণ করতে শেখায়, কিংবা ভুমিকা পালন করতে বলে, সেসবই হচ্ছে জেন্ডার।

সৌদি নারী...অতঃপর রোকেয়া

যদি আজ থেকে প্রায় একশ বছর পেছনে তাকাই বেগম রোকেয়ার (রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন১৮৮০-১৯৩২) জীবনে যিনি সৌদি নারীদের মতো প্রাতিষ্ঠানিক উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পাননি কিন্তু তার দেখানো আলোতে এখনও আমরা পথ দেখি।

নারী....আর কতোকাল রবে শুধুই অর্কিড হয়ে!

প্রচলিত ধ্যান-ধারণা হচ্ছে নারী হবে নরম-কোমল, সর্বংসহা (মাতা), মনোরঞ্জনকারিনী (বধূ)। তারা থাকবে অন্দরমহলে। আর তাই প্রবাদে শোনা যায়... 'ঝি নষ্ট হয় হাঁটে, বউ নষ্ট হয় ঘাটে'।....অর্থাৎ ঝি কে হাঁটে-বাজারে-মার্কেটে পাঠানো যাবে না আর বউকে পুকুর ঘাটে পাঠানো যাবে না (যদিও গ্রাম এলাকায় পরিবারের পানির যোগান দাতা সাধারণত নারীই)।

রবিবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০১৪

মহল নিবাসীর অধিকার

কিছুদিন আগে আমরা নারীর অধিকার, বৈষম্য, বৈষম্য দূরীকরণের উপায় নিয়ে কথা বলেছিলাম সাভারের বেশ কয়েকজন নারীর সঙ্গে ।এদের মধ্যে মাশরুম চাষী, গৃহিণী, পোষাক শ্রমিক, ব্যাক্তিগতভাবে দর্জির কাজে নিয়োজিত প্রায় ২৫ জনের সঙ্গে কথা হয়েছে ।

‘অধিকার’ শব্দটি যখন  সমাজ, রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত হয়ে থাকে তখন তাকে অধিকার বলা যেতে পারে ।

উইকিপিডিয়ার দেয়া তথ্য মতে,
Rights are legal, social, or ethical principles of freedom or entitlement; that is, rights are the fundamental normative rules about what is allowed of people or owed to people, according to some legal system, social convention, or ethical theory. Rights are of essential importance in such disciplines as law and ethics, especially theories of justice and deontology.

Rights are often considered fundamental to civilization, being regarded as established pillars of society and culture, and the history of social conflicts can be found in the history of each right and its development. According to the Stanford Encyclopedia of Philosophy, "rights structure the form of governments, the content of laws, and the shape of morality as it is currently perceived." The connection between rights and struggle cannot be overstated — rights are not as much granted or endowed as they are fought for and claimed, and the essence of struggles past and ancient are encoded in the spirit of current concepts of rights and their modern formulations.


কিন্তু যাদের জীবনের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতেই নাভিশ্বাস উঠে যায়  এই নারীদের কাছে ‘অধিকার’ শব্দটি খুব গভীরভাবে তেমন কোন অর্থ বহন করে না ।তাদের কাছে ‘অধিকার’ হলো ‘ভালো’ ভাবে থাকা, ‘ভালো’ খাওয়া, ‘ভালো’ পরতে পারা ।

নারী অধিকার,
“নারী অধিকার” পরিভাষাটি বলতে বোঝায় এক ধরনের স্বাধীনতা, যা সকল বয়সের মেয়ে নারীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয় এই অধিকার হতে পারে প্রাতিষ্ঠানিক, আইনানুগ, আঞ্চলিক সংস্কৃতি দ্বারা সিদ্ধ, বা কোনো সমাজের আচরণের বহিঃপ্রকাশ কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই অধিকারকে অস্বীকার করতেও দেখা যায় সীমান্ত পেরিয়ে বিভিন্ন দেশে এই অধিকারের বিভিন্ন রকম সংজ্ঞা পার্থক্য দেখা যায়, কারণ এটি পুরুষ ছেলেদের অধিকারের থেকে ভিন্ন এবং এই অধিকারের সপক্ষে আন্দোলনকারীদের দাবী যে, নারী মেয়েদের অধিকারের প্রচলনের ক্ষেত্রে ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক দুর্বলতা রয়েছে
যেসব বিষয়ের ক্ষেত্রে নারী অধিকার প্রযোজ্য হয়, তা সুনির্দিষ্ট না হলেও এগুলো মূলত সমতা স্বয়ংসম্পূর্ণতা কেন্দ্রিক। যেমন: ভোটদানের অধিকার, অফিস-আদালতে একসাথে কাজকর্ম করার অধিকার, কাজের বিনিময়ে ন্যায্য সমান প্রতিদান (বেতন অন্যান্য সুবিধাদি) পাবার অধিকার, সম্পত্তি লাভের অধিকার, শিক্ষার্জনের অধিকার, সামরিক বাহিনীতে কাজ করার অধিকার, আইনগত চুক্তিতে অংশগ্রহণের অধিকার, এবং বিবাহ, অভিভাবক, ধর্মীয়গত অধিকার নারী তাদের সহযোগীরা কিছু স্থানে পুরুষের সমান অধিকার আদায়ের স্বপক্ষে আন্দোলন, বিভিন্ন প্রকার ক্যাম্পেইন কর্মশালা চালিয়ে যাচ্ছে



শুকরাণী (৩০), রানা প্লাজা ধ্বসের ঘটনার শিকার ৪দিন ধ্বংসস্তুপের নিচে আটকে থাকা এই গার্মেন্টস কর্মী হারিয়েছেন তার এক কন্যাকে । স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করে চলে গেছে । বর্তমানে কোন কাজ না পেয়ে মৌলিক চাহিদা পূরণের তাগিদে উদভ্রান্ত অবস্থায় দিন কাটছে এই নারীর ।

বৈষম্য দূরীকরণে সিডও সনদ ও বাংলাদেশের সংবিধান :
নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে ১৯৭৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর  জাতিসংঘের  সাধারণ পরিষদে গৃহিত সনদই convention on the Elimination of All Forms of Discrimination Against Women (CEDAW) জাতিসংঘ কর্তৃক বিশ্বের প্রথম যে কয়টি দেশ নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ অনুমোদন করে বাংলাদেশ তার মধ্যে অন্যতম ।বাংলাদেশ এই দলিল অনুমোদন করে স্বাক্ষর করেছে ১৯৮৪  সালের ৬ই নভেম্বর ।
নারীর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণ সম্পর্কিত ঘোষণায় বর্ণিত নীতিমালার বাস্তবায়ন এবং সেই লক্ষ্যে, সকল আকারে এ ধরনের বৈষম্য দূরীকরণের জন্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ অপরিহার্য হলেও সিডও ধারা ১ [সংবিধানের ধারা ২৮ (১), ২৮ (২), ২৮ (৩), ১০ নারী পুরুষ নির্বিশেষে রাষ্ট্র ও গণজবিনে সমান অধিকার] –এর কথা বলা হলেও  এই নারীদের মধ্যে কাউকেই সেই সমান অধিকার প্রাপ্তির কথা শোনা যায় নি । 

কেস স্টাডি  ১ :
নিজের পছন্দের পাত্রকে বিয়ে করতে পরিবার-পরিজনদের ত্যাগ করে সনাতন ধর্ম থেকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়ে হেনা (৪০) খুব বেশিদিন স্বামীর সংসার করতে পারেন নি । তার আগেই বৈধব্যের নিঃসঙ্গতায় জরিয়ে পড়েছেন ।মাশরুম চাষী এই নারী প্রথমত হিন্দু হওয়ার কারণে বঞ্চিত হয়েছেন তার পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে । এবং একটি মাত্র কন্যা শিশু থাকায় স্বামীর সম্পত্তিও বেহাত হয়ে গেছে । আমাদের সমাজ, রাষ্ট্র পারেনি এই নারী এবং তার একমাত্র মাদ্রাসা পড়ুয়া কন্যা শিশুর ভরণপোষনের দায়িত্ব নিতে । একা থাকার কারণেই  বিয়ের প্রস্তাব প্রায়ই আসে যা তার মানসিক শান্তির অন্তরায় ।
অথচ সিডও ধারা ১৬ [সংবধিানের ২৭,৩১,৩২,৩৩,৩৯ (১), ৪২ আইনের দৃষ্টিতে সমতা, আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার, জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার, দেশের যে কোন স্থানে বসতি স্থাপন, চিত্তবিনোদনের স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সম্পত্তির অধিকার] অনুযায়ী , ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে এই নারী ।

কেস স্টাডি ২ :
নাসরিন আক্তার (৪৫), ঘরের বাইরে কাজ করতে যাওয়ার অনুমতি না পাওয়া এই গৃহিণী নিজের ভিটায় হাঁস-মুরগী, গরু-ছাগল পালন করতে পারেন না পাড়া-প্রতিবেশী, আত্নীয় স্বজনের বাঁধার কারণে ।উত্তরাধিকার সম্পত্তি যতটুকু পাওয়ার কথা ছিল মায়ের হস্তক্ষেপ-এর কারণে তা থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন ।

তাদের সবার সাথে কথা বলার পর প্রাপ্ত তথ্য থেকে যা বোঝা গেল তা হচ্ছে,
-মাশরুম চাষীদের মধ্যে ঘরে কাজ করার সুবিধা থাকলেও অর্থনৈতিক স্বাচ্ছন্দ্যের জন্যে রাষ্ট্রীয় সহযোগিতাও প্রয়োজন যা, তারা রাষ্ট্র থেকে পাচ্ছে না ।

-রানা প্লাজা ধ্বসের মতো এতো বড় একটা মর্মান্তিক ঘটনার শিকার সেখানকার গার্মেন্টস কর্মীরা কোন রকম সরকারী  সাহায্য পাননি । এমনকি তাদের প্রাপ্য বোনাসও সবটুকু পাননি ।
অন্তঃস্বত্তা নারীদের নতুন কোন গার্মেন্টস এ চাকুরীতে  নিযোগ দান করা হচ্ছে না মাতৃকালীন বিভিন্ন সমস্যার অযুহাত দেখিয়ে ।

অথচ, সিডও ধারা ৭ [সংবিধানের ধারা ৯, ১০, ১৯ (১), ২৮(১), ২৮ (২), ২৯ (২),  ৪০, ৬৬ অংশগ্রহণ ও অনুমোদনের সমতা, কর্মের সমতা, পেশার স্বাধীনতা, রাজনীতিতে  অংশগ্রহণের সমতা] তে নারীর কর্মের সমতা, পেশার স্বাধীনতার কথা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখিত রয়েছে ।
-অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ নারী তাদের সন্তানকে  বিদ্যালয়ে পড়াতে পারছে না, বিদ্যালয়ে পড়ানোর জন্যে আনুসঙ্গিক খরচ বহন করতে না পারার জন্যে ।

সিডও ধারা ১০ [সংবিধানের পরিষ্কার ভাবে উল্লেখ রয়েছে] মৌলিক প্রয়োজনে শিক্ষার অধিকার, অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা ও সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার সুযোগের কথা থাকলেও বাস্তবে তা মোটেও সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে না ।
-উত্তরাধিকার সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে নারীরা প্রতিনিয়তই ।

এসকল বৈষম্য দূরীকরণে  এসব অবহেলিত, পিছিয়ে পড়া নারীদের সাথে কথা বললে তারা সরকারের   হস্তক্ষেপের মাধ্যমে এর  সমাধান প্রত্যাশা করে থাকে ।
বাংলাদেশের সরকার যদি সিডও সনদ ও সংবিধান অনুযায়ী  ব্যবস্থা সঠিকভাবে গ্রহণ করে তা বাস্তবায়িত করার জন্যে কঠোর  পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তবে আশা করা  যায় অদূর ভবিষ্যতেই নারীরা তাদের  যথাযথ অধিকার আদায়ে, প্রাপ্তিতে সচেষ্ট হবে ।

তথ্যসূত্র:
 ● http://en.wikipedia.org/wiki/Rights
প্রবেশের তারিখ : ১৩/১১/২০১৩
     হ্যান্ডনোট, সালমা খান
           ●সাভার ফিল্ড ট্রিপ থেকে প্রাপ্ত নারীদের সাক্ষাৎকার ।

       http://bnwebtools.sourceforge.net/

শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০১৪

ট্রিবিউট টু সুচিত্রা সেন

Suchitra Sen.jpg



জন্ম: ৬ এপ্রিল ১৯৩১
পাবনা, বাংলাদেশ
মৃত্যু : ১৭ জানুয়ারি ২০১৪

সুচিত্রা সেন অভিনীত চলচ্চিত্রের তালিকা
সাড়ে চুয়াত্তর (১৯৫৩)
ওরা থাকে ওধারে (১৯৫৪)
অগ্নিপরীক্ষা (১৯৫৪)
শাপমোচন (১৯৫৫)
সবার উপরে (১৯৫৫)
সাগরিকা (১৯৫৬)
পথে হল দেরি (১৯৫৭)
হারানো সুর (১৯৫৭)
দীপ জ্বেলে যাই (১৯৫৯)
সপ্তপদী (১৯৬১)
বিপাশা (১৯৬২)
চাওয়া-পাওয়া
সাত-পাকে বাঁধা (১৯৬৩)
হসপিটাল
শিল্পী (১৯৬৫)
ইন্দ্রাণী (১৯৫৮)
রাজলক্ষী ও শ্রীকান্ত (১৯৫৮)
সূর্য তোরণ (১৯৫৮)
উত্তর ফাল্গুনি (১৯৬৩) (হিন্দিতে পুনঃনির্মিত হয়েছে মমতা নামে)
গৃহদাহ (১৯৬৭)
ফরিয়াদ
দেবী চৌধুরানী (১৯৭৪)
দত্তা (১৯৭৬)
প্রণয় পাশা
প্রিয় বান্ধবী



'মরনের পরে'
উত্তম কুমার-সুচিত্রা সেন





                                                       'রাজলক্ষ্ণী ও শ্রীকান্ত' (১৯৫৮)
                                                          উত্তম কুমার-সুচিত্রা সেন



'সপ্তপদী'
সুচিত্রা সেন- উত্তম কুমার




'বিপাশা'
উত্তম কুমার-সুচিত্রা সেন




'হসপিটাল'
অশোক কুমার-সুচিত্রা সেন





হিন্দি
বোম্বে কা বাবু
সুচিত্রা সেন-দেব আনন্দ


মুসাফির
সুচিত্রা সেন-দিলিপ কুমার - ঊষা কিরণ



'মমতা'
ধর্মেন্দ্র-সুচিত্রা সেন- অশোক কুমার




তালিকার সুত্র : উইকিপিডিয়া

মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী, ২০১৪

বিশ্ব জুরে নারী ২০১৪: ১ - মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভে প্রথম নারী

যুক্তরাষ্ট্রের ১০০ বছরের ইতিহাসে এবারই প্রথম ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তা হলেন একজন নারী। গত সোমবার ভোটাভুটির পর মার্কিন সিনেট জ্যানেট ইয়েলেনের নাম নিশ্চিত করেছে সোমবার।
সিনেটে ৫৬ জন ভোট দেন মিস ইয়েলেনের পক্ষে, বিরোধিতা করেন ২৬ জন। খারাপ আবহাওয়ার কারণে চেম্বারের অনেক সদস্যই এই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে আসতে পারেননি। পয়লা ফেব্রুয়ারিতে বর্তমান প্রধান বেন বেরনানকে বিদায় নেয়ার পর ৬৭ বছর বয়সী মিস ইয়েলেন দায়িত্ব বুঝে নেবেন।

সুত্র : মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভে প্রথম নারী

সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৩

বিবর্ণ সময়


তথাকথিত বড়লোকদের রান্না ঘরের চেয়েও ছোট রুনুর ঘরটা । দরজা নেই, রাতে ঘুমুতে যাবার আগে সেই জায়গায় একটা চেয়ার টেনে দিতে হয় যেন তাদের স্বামী-স্ত্রীর চিরাচরিত আদিম মধুর সময়টির সময় হুট করে কেউ ঢুকে যেতে না পারে ।
ওর স্বামী কখনো কোন রাতে রাগ করে পাশ ফিরে শুলেও ওদের দু'হাত চওড়া বিছানা ঠিকই তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি করতে পারতো না । গায়ের সাথে গা লাগতোই । রুনু ব্যাপারটাতে বেশ আনন্দ পেতো ।
স্বামী উপার্জনের ঘাটতি থাকায়ই তারা বড় কোন ঘরে যেতে পারছিল না । এমনকি বাচ্চাও নিতে পারছিল না ।
স্বামীর উপার্জন বাড়ল, একটা বাচ্চা নিতে যেয়ে পর পর দু'টো বাচ্চার ধকল নিতে হলো । কিন্তু সে সুখিই ।
আস্তে আস্তে তাদের ঘরের সংখ্যা বাড়ল, রুনুরও একটা স্কুলে পড়ানোর চাকুরী জুটে গেল । স্বামী অফিস থেকে বেশ বড় অংকের বেতন পায়, স্বাচ্ছন্দ্য এখন উপচে পড়ে রুনুর ঘরে । বাচ্চারা বেশিটাকা খরচের নামী স্কুলে পড়ছে । রুনুর পোশাকেও বেশ রঙ লেগেছে ।
কিন্তু রাত গুলো এখন রুনুর দীর্ঘশ্বাসেই কাটে ।
পাশের ঘরে স্বামী সারারাত ল্যাপটপে কিসের কাজ করে জানে না...এখন আর তার সময়, ইচ্ছে কোনটাই হয় না রুনুর পাশে এসে ঘুমোবার ।
রুনু শীতের দীর্ঘরাত গুলোতে ভারী কম্বলের আড়ালেও উষ্ণতা খুঁজে ফেরে...মানব শরীরের একটু উষ্ণতার জন্যে ওর প্রাণ আকুলি বিকুলি করে । এমন সম্পর্ককে দূরে নিয়ে যাওয়া সুখ, স্বাচ্ছন্দ্যই কি রুনু চেয়েছিল ? সামনে একটা বিশাল প্রশ্নবোধক চিহ্ন এসে নতুন আরেক বিবর্ণ ভোরের উপস্থিতি জানান দেয় ।

রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৩

বন্ধু

১.
পেছনের একজন...
নিরবতার আড়ালে থাকা একজন
প্রতিনিয়ত নিরব থেকেই আমায় বলছে,
এগিয়ে যাও বন্ধু...
পাশেই আমাকে পাবে ।
আমি রক্তাক্ত রাজপথ পাড়ি দেবার ভয়ে থমকে দাড়াই !
ভয়ার্ত দৃষ্টিতে পাশে তাকিয়ে দেখি
আস্বস্তের কোমল হাতটা এগিয়ে দিয়েছে
ভরসায় শক্ত করে বলছে,
বন্ধু, পাশেই আছি... এগিয়ে যাও ।
কর্দমাক্ত, পিচ্ছিল পথ পাড়ি দিতে ইতস্তত আমি
ভাবনায় পড়ে যাই, পিছলে যাব তো !
পাশেই দেখি ভরসার হাসি মুখ, নিরবে দাঁড়িয়ে
আমি এগিয়ে যাই,
জানি আড়ালে থেকেও
নিরব থেকেও ভরসার হাতটি বাড়িয়ে আছে ।
পাশেই আছে 'সে' ।।


২.

শুধু একবার চেয়ে দেখো,
আমি ঠিক আকাশের বুক চিড়ে ওই সূর্যটাকে এনে দিতে পারবো তোমার হাতের মুঠোয়,
ওই পাড়ে থাকা তোমার জন্যে ব্রহ্মপুত্র পাড়ি দিতে এতোটুকু দ্বিধা করবো না ।
পুলিশের রিমান্ড পেরিয়ে ঠিক আমি সারাদিন তোমার সাথে চষে বেড়াতে পারবো নগর থেকে বন্দরে
আমার সেই ক্ষমতা আছে,
আমার সেই মনের জোর আছে...
চাইতেও জোর থাকা চাই যে ... ।
তোমার শুধু চাইবার জোরটাই নেই যে !



সোমবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৩

বই প্রকাশ


লেখাকে যারা পেশা হিসেবে নিতে চান তারাতো বটেই লেখা যাদের নেশা তারাও হয়তো কখনো চান তাদের লেখাটিকে প্রিন্টেড আকারে কাগজের পাতায় মুদ্রিত দেখতে । নিজের একটি প্রকাশিত বই একজন লেখকের কাছে তার সন্তানের মতোই আপন ।

বর্তমান সময়গুলোতে ফেসবুক, গুগল প্লাস, নিজস্ব ব্লগ সাইট সহ কমিউনিটি ব্লগগুলোর কল্যাণে মানুষ আগের ডায়েরির পাতায় লেখার বদলে এখন এসব ডিজিটাল ডায়েরি ব্যবহার করে থাকেন নিজেদের লেখালেখির মাধ্যম হিসেবে । তাতে লেখকের সংখ্যা বাড়লেও সেই অনুপাতে কাগুজে বই প্রকাশিত কমই হচ্ছে । প্রকাশকরা লগ্নিকৃত অর্থের লোকসানের ভয়ে সাধারণত নতুন লেখকদের বই প্রকাশ করতে ভরসা পাননা খুব একটা । কিন্তু তারপরও নিজের একটি বই... এতো দরদ দিয়ে লেখাগুলি বইয়ের পাতায় ছাপানো দেখতে, সেই কাগজের গন্ধ নেবার আনন্দই আলাদা । যাদের বই প্রকাশিত হয়েছে তারা এটা ভালো বুঝবেন ।

কিন্তু বর্তমান সময়ে বই প্রকাশের খরচের কথা ভেবে অনেক প্রকাশকই নতুন লেখকদের লেখা ছাপানোর রিস্ক নিতে চাননা । কিন্তু লেখক যদি নিজ অর্থে বই প্রকাশ করতে চান সেক্ষেত্রে প্রকাশকরা নবীন লেখকদের বই প্রকাশ করে থাকেন ।
সেই ভাবনা থেকেই সামনের জাতীয় গ্রন্থমেলার কথা মাথায় রেখে বই প্রকাশের কিছু তথ্য সহব্লগারদের সামনে হাজির করবার চেষ্টা করলাম । যারা বই প্রকাশে আগ্রহী তাদের যদি কোন কাজে লাগে তবে কৃতার্থ হবো ।

ISBN (International Standard Book Number):
বই প্রকাশের সাথে লেখকের বইটির একটি আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড বই নম্বর দেবার কাজটি লেখক নিজে দায়িত্ব নিয়ে করাতে পারেন বা প্রকাশকও করিয়ে নিতে পারেন ।

ISBN এর জন্যে বর্তমানে পান্ডুলিপির এক কপি সহ আবেদন পত্র জমা দিতে হবে আগারগাঁও এ অবস্থিত জাতীয় গ্রন্থাগার ভবনের নিচতলার অফিসে অফিসচলাকালীন সময়ে ।

ISBNএর নিজস্ব ওয়েবসাইট
http://www.isbn.org/

উইকিপিডিয়ায় ISBN


© কপি রাইট

একটি বই প্রকাশ করলেই কাজ শেষ হয়ে যায় না । বইটির লেখার স্বত্ত্ব যেন লেখক বা লেখকের অনুমতিক্রমে প্রকাশকের থাকে সেজন্যে কপিরাইট আইনের আওতায় রেজিস্ট্রেশন করা উচিত যেন কেউ লেখা চুরি করে পার পেয়ে যেতে না পারে ।

নির্ধারিত সময়ে কপিরাইট রেজিস্ট্রেশনের জন্যে :
●আবেদন পত্র – ৩কপি (নির্ধারিত)- অনলাইন অথবা অফিসে জমা দিতে হবে ।
●ট্রেজারি চালান (টাকা জমা)ফি – ১০০০/= প্রতিটি আবেদনের বিপরীতে
●অঙ্গীকারনামা-৩০০ টাকা নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প (মৌলিক কর্মের ঘোষণাপত্র)
●পান্ডুলিপি, সাহিত্যকর্ম, সিডি, ক্যাসেট ইত্যাদি…কর্মের ২ কপি করে জমা দিতে হবে
●ট্রেজারি চালান কোড নং ১-৩৪৩৭-০০০০-১৮৪১
●চারুকর্মের ক্ষেত্রে কর্মের ৩ কপি জমা
●কর্ম হস্তান্তর হলে হস্তান্তরের দলিল ৩০০/= ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্প
●শিল্পকর্ম জমা দিতে হবে –দেলোয়ার জামিল
●সাহিত্য, সফটওয়্যার, নাটক, সিনেমা, পান্ডুলিপি জমা দিতে হবে –খালেদ হোসেন চৌধুরী



বইয়ের খরচাপাতি

জাতীয় সাহিত্য প্রকাশন-এর পুরোধা জনাব মোরশেদ আলম-এর মতে-
১০ ফর্মার একটি বই প্রকাশের আনুমানিক খরচ :
●কভার পেপার (দুই রকম আর্টপেপার
অফসেট-১২০ গ্রাম বা ১০০গ্রাম হতে পারে)- ২৫০০/=
●কভার ডিজাইন পজেটিভ সহ চার কালার -৩০০০/=
●কভার প্লেট ৪টি – ৮০০/=
●কভার ছাপা - ২০০০/=
●কভার লেমিনেশন – ৭৫০০/=
●বইয়ের কাগজ – ১১০০০/=
●বইয়ের ছাপা – ১০*৪০০=৪০০০/=
●মূল বইয়ের প্লেট একপোজ সহ ১০টা
(একপোজ= ট্রেসিং প্লেট) -৪৪০০/=
● বই বাঁধাই – ১০,০০০/=
● বই কম্পোজ ১০ ফর্মা
(ট্রেসিং সহ) – ১০*৬০০=৬০০০/=
●প্রুফ রিডিং – ৩০০০/=
১০ ফর্মায় প্রতিবারে প্রুফ রিডিং ১০০০/= করে তিনবারে ৩০০০/=টাকা

জলছবি বাতায়ন প্রকাশনার সঞ্চালক জহিরুল ইসলামের বর্ণনা মতে :
১.
সাইজ : ৭.২৫×৯.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ১ (৮ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : চার কালার
বাঁধাই : স্ট্যাপলার
কভার পেপার : ৩০০/৩৫০ গ্রাম ওয়ান সাইড গ্লোসি বোর্ড
অলঙ্করণ : হবে
সংখ্যা : ৫০০ কপি
মোট খরচ : ২১,০০০ টাকা
যে ধরনের বই হতে পারে : ছোটদের গল্প/ছড়া।

২.
সাইজ : ৭.২৫×৯.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ১ (৮ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : এক কালার
বাঁধাই : স্ট্যাপলার
কভার পেপার : ৩০০/৩৫০ গ্রাম ওয়ান সাইড গ্লোসি বোর্ড
অলঙ্করণ : হবে
সংখ্যা : ৫০০ কপি
মোট খরচ : ১৬,০০০ টাকা
যে ধরনের বই হতে পারে : ছোটদের গল্প/ছড়া।

৩.
সাইজ : ৭.২৫×৯.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ২ (১৬ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : চার কালার
বাঁধাই : স্ট্যাপলার
কভার পেপার : ৩০০/৩৫০ গ্রাম ওয়ান সাইড গ্লোসি বোর্ড
অলঙ্করণ : হবে
সংখ্যা : ৫০০ কপি
মোট খরচ : ৩১,৫০০ টাকা
যে ধরনের বই হতে পারে : ছোটদের গল্প/ছড়া।

৪.
সাইজ : ৭.২৫×৯.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ২ (১৬ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : এক কালার
বাঁধাই : স্ট্যাপলার
কভার পেপার : ৩০০/৩৫০ গ্রাম ওয়ান সাইড গ্লোসি বোর্ড
অলঙ্করণ : হবে
সংখ্যা : ৫০০ কপি
মোট খরচ : ২৩,০০০ টাকা
যে ধরনের বই হতে পারে : ছোটদের গল্প/ছড়া।

৫.
সাইজ : ৭.২৫×৯.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ৩ (২৪ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : চার কালার
বাঁধাই : বোর্ড বাঁধাই
কভার পেপার : ১২০ গ্রাম আর্ট পেপার।
অলঙ্করণ : হবে
সংখ্যা : ৫০০ কপি
মোট খরচ : ৪৭,৫০০ টাকা
যে ধরনের বই হতে পারে : ছোটদের গল্প/ছড়া।

৬.
সাইজ : ৭.২৫×৯.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ৪ (৩২ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : চার কালার
বাঁধাই : বোর্ড বাঁধাই
কভার পেপার : ১২০ গ্রাম আর্ট পেপার।
অলঙ্করণ : হবে
সংখ্যা : ৫০০ কপি
মোট খরচ : ৫৭,০০০ টাকা
যে ধরনের বই হতে পারে : ছোটদের গল্প/ছড়া।

৭.
সাইজ : ৫.৫×৮.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ৩ (৪৮ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : এক কালার
বাঁধাই : বোর্ড বাঁধাই
কভার পেপার : ১২০ গ্রাম আর্ট পেপার।
অলঙ্করণ : হবে না
মোট খরচ : ৩০০ কপি ১৯,৫০০ টাকা। ৫০০ কপি ২৫,৫০০ টাকা।
যে ধরনের বই হতে পারে : কবিতা।

৮.
সাইজ : ৫.৫×৮.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ৪ (৬৪ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : এক কালার
বাঁধাই : বোর্ড বাঁধাই
কভার পেপার : ১২০ গ্রাম আর্ট পেপার।
অলঙ্করণ : হবে না
মোট খরচ : ৩০০ কপি ২২,৫০০ টাকা। ৫০০ কপি ২৮,৫০০ টাকা।
যে ধরনের বই হতে পারে : কবিতা/গল্প/প্রবন্ধ/উপন্যাস।

৯.
সাইজ : ৫.৫×৮.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ৫ (৮০ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : এক কালার
বাঁধাই : বোর্ড বাঁধাই
কভার পেপার : ১২০ গ্রাম আর্ট পেপার।
অলঙ্করণ : হবে না
মোট খরচ : ৩০০ কপি ২৫,০০০ টাকা। ৫০০ কপি ৩১,০০০ টাকা।
যে ধরনের বই হতে পারে : কবিতা/গল্প/প্রবন্ধ/উপন্যাস।

১০.
সাইজ : ৫.৫×৮.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ৬ (৯৬ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : এক কালার
বাঁধাই : বোর্ড বাঁধাই
কভার পেপার : ১২০ গ্রাম আর্ট পেপার।
অলঙ্করণ : হবে না
মোট খরচ : ৩০০ কপি ২৮,০০০ টাকা। ৫০০ কপি ৩৪,০০০ টাকা।
যে ধরনের বই হতে পারে : কবিতা/গল্প/প্রবন্ধ/উপন্যাস।

১১.
সাইজ : ৫.৫×৮.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ৭ (১১২ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : এক কালার
বাঁধাই : বোর্ড বাঁধাই
কভার পেপার : ১২০ গ্রাম আর্ট পেপার।
অলঙ্করণ : হবে না
মোট খরচ : ৩০০ কপি ৩০,৫০০ টাকা। ৫০০ কপি ৩৭,০০০ টাকা।
যে ধরনের বই হতে পারে : কবিতা/গল্প/প্রবন্ধ/উপন্যাস।

১২.
সাইজ : ৫.৫×৮.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ৮ (১২৮ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : এক কালার
বাঁধাই : বোর্ড বাঁধাই
কভার পেপার : ১২০ গ্রাম আর্ট পেপার।
অলঙ্করণ : হবে না
মোট খরচ : ৩০০ কপি ৩৩,০০০ টাকা। ৫০০ কপি ৪০,০০০ টাকা।
যে ধরনের বই হতে পারে : কবিতা/গল্প/প্রবন্ধ/উপন্যাস।

১৩.
সাইজ : ৫.৫×৮.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ১০ (১৬০ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : এক কালার
বাঁধাই : বোর্ড বাঁধাই
কভার পেপার : ১২০ গ্রাম আর্ট পেপার।
অলঙ্করণ : হবে না
মোট খরচ : ৩০০ কপি ৩৬,০০০ টাকা। ৫০০ কপি ৪৩,০০০ টাকা।
যে ধরনের বই হতে পারে : কবিতা/গল্প/প্রবন্ধ/উপন্যাস।

১৪.
সাইজ : ৫.৫×৮.৫ ইঞ্চি (পেপারব্যাক)
ফর্মা সংখ্যা : ১০ (১৬০ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : এক কালার
বাঁধাই : পেপারব্যাক। তবে ফ্ল্যাপ থাকবে।
কভার পেপার : ৩০০/৩৫০ গ্রাম ওয়ান সাইড গ্লোসি বোর্ড/আর্ট কার্ড
অলঙ্করণ : কয়েকটি স্কেচ হবে
মোট খরচ : ৩০০ কপি ৩৬,০০০ টাকা। ৫০০ কপি ৪৩,০০০ টাকা।
যে ধরনের বই হতে পারে : প্রবন্ধ/উপন্যাস।

১৫.
সাইজ : ৫.৫×৮.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ১৫ (১৬০ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : এক কালার
বাঁধাই : বোর্ড বাঁধাই
কভার পেপার : ১২০ গ্রাম আর্ট পেপার।
অলঙ্করণ : হবে না
মোট খরচ : ৩০০ কপি ৪৮,৫০০ টাকা। ৫০০ কপি ৫৬,০০০ টাকা।
যে ধরনের বই হতে পারে : কবিতা/গল্প/প্রবন্ধ/উপন্যাস।




কৃতজ্ঞতা:
জনাব নাসির আহমেদ কাবুল
জনাব মোরশেদ আলম
জনাব খালিদ হোসেন চৌধুরী


বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৩

প্রকৃতির কোলে এক দুপুর
















সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites