ম্যুভি রিভিউ- "দ্য স্পীড"

অনেকদিন পর বলাকায় গেলাম বাঙলা সিনেমা অনন্ত জলীল অভিনিত ম্যুভি "দ্য স্পীড" দেখতে। সিনেমা শুরুর আগে পর্দা সরে গেল সিনেমা হলের এবং স্বাভাবিক ভাবেই জাতীয় সংগীত মিউজিকে পরিবেশন । কিন্তু অবাক হয়ে দেখলাম প্রায় ৩০% দর্শক সে সময় বসা থেকে উঠার নাম পর্যন্ত করেনি এই কয়েক মিনিট দাড়িয়ে জাতীয় পতাকাকে সম্মান প্রদর্শণ করতে। সিনেমার শুরুই হলো বেশ দারুন সাউন্ডের ইফেক্ট দিয়ে। "দ্য স্পীড" নামটিকে সার্থক করতেই হয়তো।

১৯৯৯ সালের অক্টোবর মাসের কোন একদিন

মানুষের জীবনে বোধ সঞ্চারের এক নির্ভেজাল উপাদানের নাম কবিতা। কবিতা কখনো মানুষের মনকে রাঙিয়ে দেয়, কখনো বদনার কালো রঙ ঢেলে উপলব্ধিগুলোকে সতেজ করে তোলে; জীবন দর্শনের পথকে করে প্রশস্ত।

নারী-পুরুষ নিয়ে একটি বৈষম্যহীন সমাজের কথা বলি

'জেন্ডার' শব্দটি মুলত নারী ও পুরুষ উভয়কেই বোঝায়, বোঝায় নারী-পুরুষকে নিয়ে বৈষম্যহীণ সমাজের, রাষ্ট্রের কথা। সংস্কৃতি ও সমাজ নারী ও পুরুষ সম্পর্কে যে সব দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধ গড়ে তোলে, ভিন্ন ভিন্ন আচরণ করতে শেখায়, কিংবা ভুমিকা পালন করতে বলে, সেসবই হচ্ছে জেন্ডার।

সৌদি নারী...অতঃপর রোকেয়া

যদি আজ থেকে প্রায় একশ বছর পেছনে তাকাই বেগম রোকেয়ার (রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন১৮৮০-১৯৩২) জীবনে যিনি সৌদি নারীদের মতো প্রাতিষ্ঠানিক উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পাননি কিন্তু তার দেখানো আলোতে এখনও আমরা পথ দেখি।

নারী....আর কতোকাল রবে শুধুই অর্কিড হয়ে!

প্রচলিত ধ্যান-ধারণা হচ্ছে নারী হবে নরম-কোমল, সর্বংসহা (মাতা), মনোরঞ্জনকারিনী (বধূ)। তারা থাকবে অন্দরমহলে। আর তাই প্রবাদে শোনা যায়... 'ঝি নষ্ট হয় হাঁটে, বউ নষ্ট হয় ঘাটে'।....অর্থাৎ ঝি কে হাঁটে-বাজারে-মার্কেটে পাঠানো যাবে না আর বউকে পুকুর ঘাটে পাঠানো যাবে না (যদিও গ্রাম এলাকায় পরিবারের পানির যোগান দাতা সাধারণত নারীই)।

রবিবার, ২৭ জুলাই, ২০১৪

উত্তরাধুনিক কথকতা

১. লোহা যেমন নিত্য ব্যবহার না করলে মরচে পড়ে যায়,

ভালোবাসাও তেমনি যত্ন না পেলে অপরিচিত হয়ে যায়...

২. ভালোবাসার অস্তিত্ত্ব মরে না...পারিপার্শিকতায় শুধু রং বদলায়...

৩. বিবাহের সম্বন্ধে পাত্রের যোগ্যতা লাগে পেশা আর অর্থনৈতিক অবস্থা (যা সে অর্জন করেছে)
পাত্রীর যোগ্যতা লাগে গায়ের রং, চেহারা আর পরিবার ...(যা তার নিজের অর্জিত নয়)

৪.প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অধিকার করলেই যে, আদর্শ শিক্ষক/প্রশিক্ষক হতে পারবে, কথাটি পুরোপুরি সত্য নয় ।
বরং একজন আদর্শ শিক্ষক তার শিক্ষা জীবনের কোন পর্যায়ে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হতেও পারেন ।

শুক্রবার, ২৫ জুলাই, ২০১৪

শৈশবের ইদ


শৈশবের ইদ সম্পর্কিত সকল পরিকল্পনা হতো দাদার পুকুরপাড়ে। এই পুকুরপাড় ঘিরেই আছে আমাদের অনেক অনেক স্মৃতি, সেকথা না হয় আর কখনো বলবো।

আমি তখন প্রথম অথবা দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ি। সেবার ইদ করেছিলাম নানাবাড়িতে।

সময়: সকালের পর/দুপুরের আগে
রিমা (বড় খালার ভাড়াটিয়ার মেয়ে, আমার চেয়ে দুই/তিন বছরের বড়) : খালাম্মা, পনিরে নিয়া ঘুরতে যাই ?
আম্মা: রিমা,তাড়াতাড়ি আইয়া পড়িস কিন্তু।

বাইরে প্রচন্ড রোদ। রিমা আপার সাথে হাঁটছিতো হাঁটছিই। অনেকক্ষণ হাঁটার পর-
রিমা: পনি, সিদ্ধ ডিম খাইবা ?
পনি: রিমা আপা, পানি দেও।
রিমা: আগে ডিম খাও, পরে ডিমওয়ালার কাছ থেইক্কা পানি নিয়া দিতাছি

ডিম খেয়ে আবার হাঁটা শুরু করলাম আমরা।
কোথায় বেড়াতে নিয়ে যাচ্ছে জানি না। কতোক্ষণ হেঁটেছি জানি না, তবে এক দেড় ঘন্টা পর রিমা আপা এক বাড়ির সামনে দাড়াল যেখানে মাংস বিলি করছে। ভাবলাম ওই বাসায় বেড়াতে যাবে। কিন্তু কিসের কী !
ও তো মাংস চাইতে দাড়িয়েছে ওই বাসার গেটের কাছে ! আমি লজ্জায় পাশের দেয়ালে সেটে মাথা নীচু করে দাঁড়িয়ে আছি। বাড়ি ফেরার পথও চিনি না যে একা ফিরে আসবো।

এর পর থেকে ওর সাথে আর মেশার স্মৃতি আমার মস্তিষ্কে নেই।
ফেরার পর কী হয়েছিল তাও আর মনে নেই।


ছবি সূত্র:
নিজ এ্যালবাম
নোকিয়া ৭০০
১৯ জুলাই ২০১৪

বৃহষ্পতিবার, ২৪ জুলাই, ২০১৪

একবার যেতে দেনা আমার ছোট্ট সোনার গাঁয়

































শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০১৪

ট্রিবিউট টু সুচিত্রা সেন

Suchitra Sen.jpg



জন্ম: ৬ এপ্রিল ১৯৩১
পাবনা, বাংলাদেশ
মৃত্যু : ১৭ জানুয়ারি ২০১৪

সুচিত্রা সেন অভিনীত চলচ্চিত্রের তালিকা
সাড়ে চুয়াত্তর (১৯৫৩)
ওরা থাকে ওধারে (১৯৫৪)
অগ্নিপরীক্ষা (১৯৫৪)
শাপমোচন (১৯৫৫)
সবার উপরে (১৯৫৫)
সাগরিকা (১৯৫৬)
পথে হল দেরি (১৯৫৭)
হারানো সুর (১৯৫৭)
দীপ জ্বেলে যাই (১৯৫৯)
সপ্তপদী (১৯৬১)
বিপাশা (১৯৬২)
চাওয়া-পাওয়া
সাত-পাকে বাঁধা (১৯৬৩)
হসপিটাল
শিল্পী (১৯৬৫)
ইন্দ্রাণী (১৯৫৮)
রাজলক্ষী ও শ্রীকান্ত (১৯৫৮)
সূর্য তোরণ (১৯৫৮)
উত্তর ফাল্গুনি (১৯৬৩) (হিন্দিতে পুনঃনির্মিত হয়েছে মমতা নামে)
গৃহদাহ (১৯৬৭)
ফরিয়াদ
দেবী চৌধুরানী (১৯৭৪)
দত্তা (১৯৭৬)
প্রণয় পাশা
প্রিয় বান্ধবী



'মরনের পরে'
উত্তম কুমার-সুচিত্রা সেন





                                                       'রাজলক্ষ্ণী ও শ্রীকান্ত' (১৯৫৮)
                                                          উত্তম কুমার-সুচিত্রা সেন



'সপ্তপদী'
সুচিত্রা সেন- উত্তম কুমার




'বিপাশা'
উত্তম কুমার-সুচিত্রা সেন




'হসপিটাল'
অশোক কুমার-সুচিত্রা সেন





হিন্দি
বোম্বে কা বাবু
সুচিত্রা সেন-দেব আনন্দ


মুসাফির
সুচিত্রা সেন-দিলিপ কুমার - ঊষা কিরণ



'মমতা'
ধর্মেন্দ্র-সুচিত্রা সেন- অশোক কুমার




তালিকার সুত্র : উইকিপিডিয়া

সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৩

অনুগল্প : বিবর্ণ সময়


তথাকথিত বড়লোকদের রান্না ঘরের চেয়েও ছোট রুনুর ঘরটা । দরজা নেই, রাতে ঘুমুতে যাবার আগে সেই জায়গায় একটা চেয়ার টেনে দিতে হয় যেন তাদের স্বামী-স্ত্রীর চিরাচরিত আদিম মধুর সময়টির সময় হুট করে কেউ ঢুকে যেতে না পারে ।
ওর স্বামী কখনো কোন রাতে রাগ করে পাশ ফিরে শুলেও ওদের দু'হাত চওড়া বিছানা ঠিকই তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব সৃষ্টি করতে পারতো না । গায়ের সাথে গা লাগতোই । রুনু ব্যাপারটাতে বেশ আনন্দ পেতো ।
স্বামী উপার্জনের ঘাটতি থাকায়ই তারা বড় কোন ঘরে যেতে পারছিল না । এমনকি বাচ্চাও নিতে পারছিল না ।
স্বামীর উপার্জন বাড়ল, একটা বাচ্চা নিতে যেয়ে পর পর দু'টো বাচ্চার ধকল নিতে হলো । কিন্তু সে সুখিই ।
আস্তে আস্তে তাদের ঘরের সংখ্যা বাড়ল, রুনুরও একটা স্কুলে পড়ানোর চাকুরী জুটে গেল । স্বামী অফিস থেকে বেশ বড় অংকের বেতন পায়, স্বাচ্ছন্দ্য এখন উপচে পড়ে রুনুর ঘরে । বাচ্চারা বেশিটাকা খরচের নামী স্কুলে পড়ছে । রুনুর পোশাকেও বেশ রঙ লেগেছে ।
কিন্তু রাত গুলো এখন রুনুর দীর্ঘশ্বাসেই কাটে ।
পাশের ঘরে স্বামী সারারাত ল্যাপটপে কিসের কাজ করে জানে না...এখন আর তার সময়, ইচ্ছে কোনটাই হয় না রুনুর পাশে এসে ঘুমোবার ।
রুনু শীতের দীর্ঘরাত গুলোতে ভারী কম্বলের আড়ালেও উষ্ণতা খুঁজে ফেরে...মানব শরীরের একটু উষ্ণতার জন্যে ওর প্রাণ আকুলি বিকুলি করে । এমন সম্পর্ককে দূরে নিয়ে যাওয়া সুখ, স্বাচ্ছন্দ্যই কি রুনু চেয়েছিল ? সামনে একটা বিশাল প্রশ্নবোধক চিহ্ন এসে নতুন আরেক বিবর্ণ ভোরের উপস্থিতি জানান দেয় ।

রবিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৩

পদ্য: বন্ধু

১.
পেছনের একজন...
নিরবতার আড়ালে থাকা একজন
প্রতিনিয়ত নিরব থেকেই আমায় বলছে,
এগিয়ে যাও বন্ধু...
পাশেই আমাকে পাবে ।
আমি রক্তাক্ত রাজপথ পাড়ি দেবার ভয়ে থমকে দাড়াই !
ভয়ার্ত দৃষ্টিতে পাশে তাকিয়ে দেখি
আস্বস্তের কোমল হাতটা এগিয়ে দিয়েছে
ভরসায় শক্ত করে বলছে,
বন্ধু, পাশেই আছি... এগিয়ে যাও ।
কর্দমাক্ত, পিচ্ছিল পথ পাড়ি দিতে ইতস্তত আমি
ভাবনায় পড়ে যাই, পিছলে যাব তো !
পাশেই দেখি ভরসার হাসি মুখ, নিরবে দাঁড়িয়ে
আমি এগিয়ে যাই,
জানি আড়ালে থেকেও
নিরব থেকেও ভরসার হাতটি বাড়িয়ে আছে ।
পাশেই আছে 'সে' ।।


২.

শুধু একবার চেয়ে দেখো,
আমি ঠিক আকাশের বুক চিড়ে ওই সূর্যটাকে এনে দিতে পারবো তোমার হাতের মুঠোয়,
ওই পাড়ে থাকা তোমার জন্যে ব্রহ্মপুত্র পাড়ি দিতে এতোটুকু দ্বিধা করবো না ।
পুলিশের রিমান্ড পেরিয়ে ঠিক আমি সারাদিন তোমার সাথে চষে বেড়াতে পারবো নগর থেকে বন্দরে
আমার সেই ক্ষমতা আছে,
আমার সেই মনের জোর আছে...
চাইতেও জোর থাকা চাই যে ... ।
তোমার শুধু চাইবার জোরটাই নেই যে !



সোমবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৩

বই প্রকাশ


লেখাকে যারা পেশা হিসেবে নিতে চান তারাতো বটেই লেখা যাদের নেশা তারাও হয়তো কখনো চান তাদের লেখাটিকে প্রিন্টেড আকারে কাগজের পাতায় মুদ্রিত দেখতে । নিজের একটি প্রকাশিত বই একজন লেখকের কাছে তার সন্তানের মতোই আপন ।

বর্তমান সময়গুলোতে ফেসবুক, গুগল প্লাস, নিজস্ব ব্লগ সাইট সহ কমিউনিটি ব্লগগুলোর কল্যাণে মানুষ আগের ডায়েরির পাতায় লেখার বদলে এখন এসব ডিজিটাল ডায়েরি ব্যবহার করে থাকেন নিজেদের লেখালেখির মাধ্যম হিসেবে । তাতে লেখকের সংখ্যা বাড়লেও সেই অনুপাতে কাগুজে বই প্রকাশিত কমই হচ্ছে । প্রকাশকরা লগ্নিকৃত অর্থের লোকসানের ভয়ে সাধারণত নতুন লেখকদের বই প্রকাশ করতে ভরসা পাননা খুব একটা । কিন্তু তারপরও নিজের একটি বই... এতো দরদ দিয়ে লেখাগুলি বইয়ের পাতায় ছাপানো দেখতে, সেই কাগজের গন্ধ নেবার আনন্দই আলাদা । যাদের বই প্রকাশিত হয়েছে তারা এটা ভালো বুঝবেন ।

কিন্তু বর্তমান সময়ে বই প্রকাশের খরচের কথা ভেবে অনেক প্রকাশকই নতুন লেখকদের লেখা ছাপানোর রিস্ক নিতে চাননা । কিন্তু লেখক যদি নিজ অর্থে বই প্রকাশ করতে চান সেক্ষেত্রে প্রকাশকরা নবীন লেখকদের বই প্রকাশ করে থাকেন ।
সেই ভাবনা থেকেই সামনের জাতীয় গ্রন্থমেলার কথা মাথায় রেখে বই প্রকাশের কিছু তথ্য সহব্লগারদের সামনে হাজির করবার চেষ্টা করলাম । যারা বই প্রকাশে আগ্রহী তাদের যদি কোন কাজে লাগে তবে কৃতার্থ হবো ।

ISBN (International Standard Book Number):
বই প্রকাশের সাথে লেখকের বইটির একটি আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড বই নম্বর দেবার কাজটি লেখক নিজে দায়িত্ব নিয়ে করাতে পারেন বা প্রকাশকও করিয়ে নিতে পারেন ।

ISBN এর জন্যে বর্তমানে পান্ডুলিপির এক কপি সহ আবেদন পত্র জমা দিতে হবে আগারগাঁও এ অবস্থিত জাতীয় গ্রন্থাগার ভবনের নিচতলার অফিসে অফিসচলাকালীন সময়ে ।

ISBNএর নিজস্ব ওয়েবসাইট
http://www.isbn.org/

উইকিপিডিয়ায় ISBN


© কপি রাইট

একটি বই প্রকাশ করলেই কাজ শেষ হয়ে যায় না । বইটির লেখার স্বত্ত্ব যেন লেখক বা লেখকের অনুমতিক্রমে প্রকাশকের থাকে সেজন্যে কপিরাইট আইনের আওতায় রেজিস্ট্রেশন করা উচিত যেন কেউ লেখা চুরি করে পার পেয়ে যেতে না পারে ।

নির্ধারিত সময়ে কপিরাইট রেজিস্ট্রেশনের জন্যে :
●আবেদন পত্র – ৩কপি (নির্ধারিত)- অনলাইন অথবা অফিসে জমা দিতে হবে ।
●ট্রেজারি চালান (টাকা জমা)ফি – ১০০০/= প্রতিটি আবেদনের বিপরীতে
●অঙ্গীকারনামা-৩০০ টাকা নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প (মৌলিক কর্মের ঘোষণাপত্র)
●পান্ডুলিপি, সাহিত্যকর্ম, সিডি, ক্যাসেট ইত্যাদি…কর্মের ২ কপি করে জমা দিতে হবে
●ট্রেজারি চালান কোড নং ১-৩৪৩৭-০০০০-১৮৪১
●চারুকর্মের ক্ষেত্রে কর্মের ৩ কপি জমা
●কর্ম হস্তান্তর হলে হস্তান্তরের দলিল ৩০০/= ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্প
●শিল্পকর্ম জমা দিতে হবে –দেলোয়ার জামিল
●সাহিত্য, সফটওয়্যার, নাটক, সিনেমা, পান্ডুলিপি জমা দিতে হবে –খালেদ হোসেন চৌধুরী



বইয়ের খরচাপাতি

জাতীয় সাহিত্য প্রকাশন-এর পুরোধা জনাব মোরশেদ আলম-এর মতে-
১০ ফর্মার একটি বই প্রকাশের আনুমানিক খরচ :
●কভার পেপার (দুই রকম আর্টপেপার
অফসেট-১২০ গ্রাম বা ১০০গ্রাম হতে পারে)- ২৫০০/=
●কভার ডিজাইন পজেটিভ সহ চার কালার -৩০০০/=
●কভার প্লেট ৪টি – ৮০০/=
●কভার ছাপা - ২০০০/=
●কভার লেমিনেশন – ৭৫০০/=
●বইয়ের কাগজ – ১১০০০/=
●বইয়ের ছাপা – ১০*৪০০=৪০০০/=
●মূল বইয়ের প্লেট একপোজ সহ ১০টা
(একপোজ= ট্রেসিং প্লেট) -৪৪০০/=
● বই বাঁধাই – ১০,০০০/=
● বই কম্পোজ ১০ ফর্মা
(ট্রেসিং সহ) – ১০*৬০০=৬০০০/=
●প্রুফ রিডিং – ৩০০০/=
১০ ফর্মায় প্রতিবারে প্রুফ রিডিং ১০০০/= করে তিনবারে ৩০০০/=টাকা

জলছবি বাতায়ন প্রকাশনার সঞ্চালক জহিরুল ইসলামের বর্ণনা মতে :
১.
সাইজ : ৭.২৫×৯.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ১ (৮ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : চার কালার
বাঁধাই : স্ট্যাপলার
কভার পেপার : ৩০০/৩৫০ গ্রাম ওয়ান সাইড গ্লোসি বোর্ড
অলঙ্করণ : হবে
সংখ্যা : ৫০০ কপি
মোট খরচ : ২১,০০০ টাকা
যে ধরনের বই হতে পারে : ছোটদের গল্প/ছড়া।

২.
সাইজ : ৭.২৫×৯.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ১ (৮ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : এক কালার
বাঁধাই : স্ট্যাপলার
কভার পেপার : ৩০০/৩৫০ গ্রাম ওয়ান সাইড গ্লোসি বোর্ড
অলঙ্করণ : হবে
সংখ্যা : ৫০০ কপি
মোট খরচ : ১৬,০০০ টাকা
যে ধরনের বই হতে পারে : ছোটদের গল্প/ছড়া।

৩.
সাইজ : ৭.২৫×৯.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ২ (১৬ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : চার কালার
বাঁধাই : স্ট্যাপলার
কভার পেপার : ৩০০/৩৫০ গ্রাম ওয়ান সাইড গ্লোসি বোর্ড
অলঙ্করণ : হবে
সংখ্যা : ৫০০ কপি
মোট খরচ : ৩১,৫০০ টাকা
যে ধরনের বই হতে পারে : ছোটদের গল্প/ছড়া।

৪.
সাইজ : ৭.২৫×৯.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ২ (১৬ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : এক কালার
বাঁধাই : স্ট্যাপলার
কভার পেপার : ৩০০/৩৫০ গ্রাম ওয়ান সাইড গ্লোসি বোর্ড
অলঙ্করণ : হবে
সংখ্যা : ৫০০ কপি
মোট খরচ : ২৩,০০০ টাকা
যে ধরনের বই হতে পারে : ছোটদের গল্প/ছড়া।

৫.
সাইজ : ৭.২৫×৯.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ৩ (২৪ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : চার কালার
বাঁধাই : বোর্ড বাঁধাই
কভার পেপার : ১২০ গ্রাম আর্ট পেপার।
অলঙ্করণ : হবে
সংখ্যা : ৫০০ কপি
মোট খরচ : ৪৭,৫০০ টাকা
যে ধরনের বই হতে পারে : ছোটদের গল্প/ছড়া।

৬.
সাইজ : ৭.২৫×৯.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ৪ (৩২ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : চার কালার
বাঁধাই : বোর্ড বাঁধাই
কভার পেপার : ১২০ গ্রাম আর্ট পেপার।
অলঙ্করণ : হবে
সংখ্যা : ৫০০ কপি
মোট খরচ : ৫৭,০০০ টাকা
যে ধরনের বই হতে পারে : ছোটদের গল্প/ছড়া।

৭.
সাইজ : ৫.৫×৮.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ৩ (৪৮ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : এক কালার
বাঁধাই : বোর্ড বাঁধাই
কভার পেপার : ১২০ গ্রাম আর্ট পেপার।
অলঙ্করণ : হবে না
মোট খরচ : ৩০০ কপি ১৯,৫০০ টাকা। ৫০০ কপি ২৫,৫০০ টাকা।
যে ধরনের বই হতে পারে : কবিতা।

৮.
সাইজ : ৫.৫×৮.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ৪ (৬৪ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : এক কালার
বাঁধাই : বোর্ড বাঁধাই
কভার পেপার : ১২০ গ্রাম আর্ট পেপার।
অলঙ্করণ : হবে না
মোট খরচ : ৩০০ কপি ২২,৫০০ টাকা। ৫০০ কপি ২৮,৫০০ টাকা।
যে ধরনের বই হতে পারে : কবিতা/গল্প/প্রবন্ধ/উপন্যাস।

৯.
সাইজ : ৫.৫×৮.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ৫ (৮০ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : এক কালার
বাঁধাই : বোর্ড বাঁধাই
কভার পেপার : ১২০ গ্রাম আর্ট পেপার।
অলঙ্করণ : হবে না
মোট খরচ : ৩০০ কপি ২৫,০০০ টাকা। ৫০০ কপি ৩১,০০০ টাকা।
যে ধরনের বই হতে পারে : কবিতা/গল্প/প্রবন্ধ/উপন্যাস।

১০.
সাইজ : ৫.৫×৮.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ৬ (৯৬ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : এক কালার
বাঁধাই : বোর্ড বাঁধাই
কভার পেপার : ১২০ গ্রাম আর্ট পেপার।
অলঙ্করণ : হবে না
মোট খরচ : ৩০০ কপি ২৮,০০০ টাকা। ৫০০ কপি ৩৪,০০০ টাকা।
যে ধরনের বই হতে পারে : কবিতা/গল্প/প্রবন্ধ/উপন্যাস।

১১.
সাইজ : ৫.৫×৮.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ৭ (১১২ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : এক কালার
বাঁধাই : বোর্ড বাঁধাই
কভার পেপার : ১২০ গ্রাম আর্ট পেপার।
অলঙ্করণ : হবে না
মোট খরচ : ৩০০ কপি ৩০,৫০০ টাকা। ৫০০ কপি ৩৭,০০০ টাকা।
যে ধরনের বই হতে পারে : কবিতা/গল্প/প্রবন্ধ/উপন্যাস।

১২.
সাইজ : ৫.৫×৮.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ৮ (১২৮ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : এক কালার
বাঁধাই : বোর্ড বাঁধাই
কভার পেপার : ১২০ গ্রাম আর্ট পেপার।
অলঙ্করণ : হবে না
মোট খরচ : ৩০০ কপি ৩৩,০০০ টাকা। ৫০০ কপি ৪০,০০০ টাকা।
যে ধরনের বই হতে পারে : কবিতা/গল্প/প্রবন্ধ/উপন্যাস।

১৩.
সাইজ : ৫.৫×৮.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ১০ (১৬০ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : এক কালার
বাঁধাই : বোর্ড বাঁধাই
কভার পেপার : ১২০ গ্রাম আর্ট পেপার।
অলঙ্করণ : হবে না
মোট খরচ : ৩০০ কপি ৩৬,০০০ টাকা। ৫০০ কপি ৪৩,০০০ টাকা।
যে ধরনের বই হতে পারে : কবিতা/গল্প/প্রবন্ধ/উপন্যাস।

১৪.
সাইজ : ৫.৫×৮.৫ ইঞ্চি (পেপারব্যাক)
ফর্মা সংখ্যা : ১০ (১৬০ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : এক কালার
বাঁধাই : পেপারব্যাক। তবে ফ্ল্যাপ থাকবে।
কভার পেপার : ৩০০/৩৫০ গ্রাম ওয়ান সাইড গ্লোসি বোর্ড/আর্ট কার্ড
অলঙ্করণ : কয়েকটি স্কেচ হবে
মোট খরচ : ৩০০ কপি ৩৬,০০০ টাকা। ৫০০ কপি ৪৩,০০০ টাকা।
যে ধরনের বই হতে পারে : প্রবন্ধ/উপন্যাস।

১৫.
সাইজ : ৫.৫×৮.৫ ইঞ্চি
ফর্মা সংখ্যা : ১৫ (১৬০ পৃষ্ঠা)
ভেতরের কাগজ : ৮০ গ্রাম দেশী
ভেতরের ছাপা : এক কালার
বাঁধাই : বোর্ড বাঁধাই
কভার পেপার : ১২০ গ্রাম আর্ট পেপার।
অলঙ্করণ : হবে না
মোট খরচ : ৩০০ কপি ৪৮,৫০০ টাকা। ৫০০ কপি ৫৬,০০০ টাকা।
যে ধরনের বই হতে পারে : কবিতা/গল্প/প্রবন্ধ/উপন্যাস।




কৃতজ্ঞতা:
জনাব নাসির আহমেদ কাবুল
জনাব মোরশেদ আলম
জনাব খালিদ হোসেন চৌধুরী


সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites