ম্যুভি রিভিউ- "দ্য স্পীড"

অনেকদিন পর বলাকায় গেলাম বাঙলা সিনেমা অনন্ত জলীল অভিনিত ম্যুভি "দ্য স্পীড" দেখতে। সিনেমা শুরুর আগে পর্দা সরে গেল সিনেমা হলের এবং স্বাভাবিক ভাবেই জাতীয় সংগীত মিউজিকে পরিবেশন । কিন্তু অবাক হয়ে দেখলাম প্রায় ৩০% দর্শক সে সময় বসা থেকে উঠার নাম পর্যন্ত করেনি এই কয়েক মিনিট দাড়িয়ে জাতীয় পতাকাকে সম্মান প্রদর্শণ করতে। সিনেমার শুরুই হলো বেশ দারুন সাউন্ডের ইফেক্ট দিয়ে। "দ্য স্পীড" নামটিকে সার্থক করতেই হয়তো।

বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর, ২০১৫

♣বিজ্ঞাপনে নারী : সেন্টিমেন্ট বাণিজ্য♣

কথায় আছে প্রচারেই প্রসার । আর প্রচার করার জন্যে বিজ্ঞাপনের বিকল্প নেই । কোন পণ্যের খবর ভোক্তার কাছে পৌঁছানোর জন্যে বিজ্ঞাপনের ভুমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ । আর বিজ্ঞাপন এমনই হওয়া উচিত তা যেনো মানুষকে আর যে কোন কিছু থেকে আলাদা করে ভাবতে বাধ্য করে । আজকাল হরেক পদের বিজ্ঞাপনের ভীড়ে ভোক্তাদের জানতে বাকী থাকছেনা কোন পণ্যটি বাজারে সহজলভ্য । বিজ্ঞাপন অনেক ধরনের হয়ে থাকে । তবে মূলত তাকে চার ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। শ্রবণ সম্পর্কিত : রেডিওতে প্রচারিত বিজ্ঞাপন, মোবাইল ফোনে ভয়েস কলের মাধ্যমে প্রচারিত বিজ্ঞাপন । দর্শন সম্পর্কিত : সাধারণত পোস্টার, বিলবোর্ডে, বিভিন্ন সংবাদ পত্রে প্রকাশিত বিভিন্ন বিজ্ঞাপন এবং সাময়িকীতে প্রচারিত বিজ্ঞাপন এবং বর্তমান সময়ে...

সোমবার, ২২ জুন, ২০১৫

ঘুরে এলাম পাহাড় ঘেরা গজনী!

ডাইনোসরের সাইজেই বানানো এই বিশালাকার ডাইনোসরটি ! সাইট ভিউ টাওয়ার থেকে ক্যামেরার চোখে...বাস্তবে তা আরো নয়ন জুড়ানো ! অনেক উঁচু থেকে ক্যামেরার চোখে এর প্রকৃত সৌন্দর্যের তেমন কিছুই ধরতে পারিনি । চারদিকে ইট, কাঠ, পাথর নয় বরং সবুজ আর সবুজ ! চাইলে এই টাওয়ারে উঠার পথের দোতলাতেই দূরবীন ভাড়া করতে পারেন নাম মাত্র খরচে । এই বাণী পড়ে কতজন মানেন জানিনা । কাছ থেকে দেখে মনে হয়েছে গাছ কেটে তার মধ্যে এই নেমপ্লেট লাগানো হয়েছে । কাউকে খুঁজে না পেয়ে জানা হয়নি এর সম্পর্কে বিস্তারিত শ্রদ্ধা নিবেদনের স্থান বাহ ! প্রিয় নজরুলকেও সেখানে খুঁজে পেলাম । কল্পনার বিস্তারে মৎস্য কন্যাও হাজির ! বাণী চিরন্তণ পাহারা পার হয়ে বাস্তবিকই...

মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০১৫

Sleeping Beauty

না, এ কোন রূপকথার ঘুমন্ত রাজকন্যা নয়। তেতো বাস্তবেরই এক সুন্দরী। যাকে জীবনের প্রয়োজনে করতে হয় বেশ কিছু অড জব। ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত অস্ট্রেলিয়ান সিনেমা Sleeping Beauty ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া লুসি যে কফি শপে কাজ করে, ইউনিভার্সিটির মেডিক্যাল ল্যাবের রিসার্চ সাবজেক্ট এবং বারের আগতদের কারো কারো সেক্স পার্টনার হিসেবে পুরো সিনেমা জুড়ে শান্ত, চুপচাপ, নির্বিকার একটি চরিত্রকে দেখানো হয়েছে । কিন্তু যখন সে তার শয্যাপাশে একজন মৃত বুড়োকে দেখতে পায় তখনই কেবল তাকে ইমোশনাল হতে দেখা যায় বিশেষভাবে। যা ঘুমন্ত সুন্দরীকে জাগিয়ে তোলার রূপক হিসেবে কাজ করেছে...

বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০১৫

Sleeping with the enemy

শুচিবায়ুগ্রস্থ অবসেসিভ কমপালসিভ পারসোনালি ডিজঅর্ডারে ভোগা মার্টিনকে সুখি করা সত্যি খুব কষ্টসাধ্য ব্যাপার বেচারী লরার জন্যে। মানসিক অত্যাচারতো বটেই আকর্ষনীয় প্রতিবেশীর প্রতি স্ত্রীর আকর্ষণের মিথ্যে সন্দেহে শারীরিক অত্যাচার একজন দাসের স্বাধীনতাকেও হার মানায় । স্বাধীনতাহীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে কে বাচিতেঁ চায়? আর তাই নতুন জীবন পেতেই লরা নিজেকে হারিয়ে ফেলে।স্বামী মার্টিনের কাছে মৃত লরা নতুন জীবন গ্রহণ করে "সারা" নামে এবং নতুন পরিবেশে নতুন প্রতিবেশী বেন এর সাহচর্যে নতুন জীবনের স্বাদে যখন সুখের মুখ দেখতে শুরু করলো ততদিনে মার্টিন জেনে গেছে তার স্ত্রী লরা জীবিত।We will always be one. Nothing can keep us apart.মার্টিনের যতই ভালোবাসা থাকুক...

শুক্রবার, ১ মে, ২০১৫

মে দিবসের ভ্রমণ ২০১৫

...

রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৫

অবদমিত অভিমান: পরের কথা

ইদানিং অনেক কথাই মনে আসে কিন্তু গুছিয়ে লিখতে পারছি না । সেই আগের মতো অবস্থা হয়েছে। চোখের সামনে, মনের ভেতর পুরো কাহিনী সিনেমা হয়ে যাচ্ছে কিন্তু আমি গুছিয়ে লিখতে পারছি না ! আমি গুছিয়ে লিখতে পারছি না শাহানা এসেছিল। প্রতিরাতেই সে আসতো মায়ার কাছে। ওর নির্ঘুম রাতগুলিতে মায়ার বুকই ছিল ওর ঘুমের আশ্রয়স্থল। অষ্টাদশী এক অবুঝ কিশোরীর মতো মায়ার বুক খামচে ধরে অবলীলায় ও ঘুমিয়ে পড়তো । ভাবছেন ও মায়ার বুকে ঘুমিয়ে পড়তো আর মায়ার বাসার কেউই দেখতো না ! কী জানি ব্যাপারটা গোলমেলে আমার কাছেও। মায়া কখনো আমায় বলেনি শাহানার কথা । কিন্তু শাহানার ডায়েরিটা আমি পেয়েছিলাম, সেখানে শাহানার সুখভরা স্বপ্নগুলোর কথা লেখা থাকতো । লেখা থাকতো ভালোবাসার সুখের সাগরে ওর ভেসে বেড়ানোর গল্প। মায়া খুব পড়ুয়া ছিল। সবসময়ই কিছু না কিছু করতো । হয় পড়ছে তো পড়া শেষ করে টিভি দেখছে, নতুবা পিসিতে ম্যুভি দেখছে। অথবা গেমস খেলছে অথবা গল্পের বই পড়ছে...

শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৫

গল্প সঙ্কলন

গল্পকার গল্প লিখেন নিজের কল্পনার রঙে রাঙিয়ে। এখানে গল্প ক্যাটাগরিতে আমার লেখাগুলো মূলত জীবন থেকে নেয়া কথাই । কখনো দেখা, কখনো শোনা, কখনো পাশের, কখনো দূরের ঘটনাগুলো যখন আলোড়িত করেছে তাই লিখে প্রকাশ করতে চেয়েছি। কখনো নীরব প্রতিবাদ, কখনো পাঠকের চোখে আঙ্গুল দিয়ে অন্যায় দেখিয়ে দেবার চেষ্টা আবার কখনো নিজেকে ভারমুক্ত করতে এসব লেখা । পাঠক এর সবগুলোকে হয়তো গল্প মানতে নারাজ হবেন । আকার, উপস্থাপন অনুযায়ী বিভিন্ন লেখা বিভিন্ন রকমের । সেক্ষেত্রে কোন ধরণের পরামর্শ থাকলে তা নির্দ্বিধায় জানাতে অনুরোধ করা গেল। গল্প ক্যাটাগরিতে নিজের লেখাগুলো একত্রিত করতে গিয়ে দেখি অনেক লেখাই নিজের ব্লগসাইটে রাখা হয়নি। হিসেব রাখতে তাই এই সঙ্কলন । নিয়মিত/অনিয়মিত আপডেট করার আশা রাখি। ১৩. নিজেকে হারায়ে খুঁজি... ১২. লাল ডায়েরি ১১. প্রতিদান ১০. অভিশাপ ৯. সৃজনশীলতা ৮. শোধ ৭. পরিচয়হীন ৬. চেনা...

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১৫

উপলব্ধি

নতুন বছরে নতুন করে পুরোনো কিছু উপলব্ধি: ১. কিছু মানুষের ব্যক্তিত্বের ভারে তার ভাব নেয়াটা মানিয়ে যায় । আবার কিছু মানুষের ভাব নেয়াটাই তাকে অন্যের কাছে উপহাসের পাত্র করে তোলে । ২. যখন উপকার করার পরিমাণটা বেড়ে যায় তখন উপকারকারীর প্রত্যাশাও বেড়ে যায়। তাই কারো কাছ থেকে খুব বেশি উপকার পেতেও নেই, উপকার করতেও নেই । ৩. মানুষকে এতোটা কষ্ট দেয়া উচিত না যাতে সে তোমার শুভাকাঙ্ক্ষী হলেও তার রক্ত, মাংস কষ্টে জর্জরিত হয়ে তোমায় অভিশাপ দেয়। তাই কিছুটা দূরত্ব রেখেই সবার সাথে মেশা উচিত । যাতে কষ্ট দিতে বা পেতে না হয় । ৪. ভালোবাসার পাল্লাটা নিজের দিকে ভারী করে রাখা উচিত । যখন তা অন্যের দিকে ভারী হয়ে যায়, তখনই নিজের আর কিছু থাকে না। তাই নিজের কিছু রেখেই ভালোবাসা উচিত। যেন পরবর্তীতে পস্তাতে না হয়। ৫. নিজেকে শ্রদ্ধাস্পদ রাখতে অন্যকে শ্রদ্ধা করা যেমন জরুরী তেমনি নিজেকে শ্রদ্ধাস্পদ হিসেবে উপস্থাপন করাটাও...

রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০১৫

দীর্ঘশ্বাসের বৈশাখ

পূবালী বাতাসে, বাদাম দেইখা চাইয়া থাকি আমার নি কেউ আসে... বৈশাখ, ইদের আনন্দগুলো এখন আর নিপাকে স্পর্শ করে না। মুখে একটা মেকি হাসি ঝুলিয়ে এই দিনগুলোর দায়িত্ব পালন করে । প্রিয় মানুষগুলো কাছেই থাকে...শাশুড়ি, স্বামী, সন্তান। বৈশাখ, ইদে ননদরা বর বাচ্চা সহ বেড়াতে আসে। বাসায় বেশ আনন্দের ধুম পড়ে যায় । তারপরও নিপার ভেতরে রক্তক্ষরণ হয়। মেকি হাসির আড়ালে কষ্টেরা গুমড়ে মরে । কখনো জানালায় দাঁড়িয়ে বা কখনো বাথরুমের বেসিনে মুখে পানির ঝাপটা দিয়ে রক্তক্ষরণ কমানোর বৃথা চেষ্টা চলে। নিপার মার ধারণা নিপার হৃদয় পাথরের তৈরি। কেননা নিপা কখনোই ওর মায়ের সামনে কাঁদেনি। সেই টিনবয়সেই যখন মাকে ছেড়ে বিশ্বদ্যিালয়ের হল জীবনে এলো তখন মাই কাঁদতো...নিপা বরং হেসে মাকে কাঁদতে...

বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০১৫

আমার কৃষক কন্যা: ফিরে চল মাটির টানে

ফিরে চল মাটির টানে ‘জুনিয়র’- সিজন ফোর’মারি কুরি’-র চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণীর ২০ শিক্ষার্থীকে নিয়ে এই পর্ব তৈরি হয়। চ্যানেল আই-এর হৃদয়ে মাটি ও মানুষ অনুষ্ঠানে ফিরে চল মাটির টানে ‘জুনিয়র’- সিজন ফোর-এর আলু রোপণ পর্বের একটি দৃশ্য। মুন্সিগঞ্জে চ্যানেল আই এর আয়োজনে অন্যান্যদের সাথে আমার কন্যা আলু লাগাচ্ছে  চ্যানেল আই স্টুডিওতে অনুষ্ঠান ধারণ করার সময়গুলোতে  ফেলোশিপ সনদ হাতে অন্যদের সাথে আমার কন্যা  ১৩ কেজি আলু চাষ করেছে আমার কন্যা।  প্রত্যেক শিক্ষার্থীর চাষকৃত আলু তাদের নামে বরাদ্ধ করা বস্তাতে  শাইখ সিরাজ-এর কাছ থেকে অটোগ্রাফ নিতে ব্যস্ত সবাই প্রিয় অভিনেত্রী সুবর্না মুস্তফার কাছ থেকে সনদ গ্রহণের...

সোমবার, ২ মার্চ, ২০১৫

বানান সতর্কতা : সচেতনতা চলুক বছরব্যাপী

'কোন বিষয় সম্পর্কে ভালোভাবে অবহিত হতে চাইলে তা নিয়ে বই লেখা শুরু করাই ভালো' বেঞ্জামিন ডিজরেইলির এই কথাটা আমার অনেক পছন্দের । আর এই কথার সূত্র ধরেই নিজের ভাষার বানান সম্পর্কে বানান নিয়ে ব্লগ লেখা শুরু করেছি। অনলাইনে অনেক ভুল বানানের প্রচলন ঠেকাতেও এই আয়োজন কাজে আসবে বলে মনে করি। কেননা একই শব্দের ভুল বানান বেশি চালু হয়ে গেলে যারা অনলাইন থেকেই বানানে বেশি সাহায্য নিয়ে থাকেন তারা ভুল বানানটাকেই ঠিক বলে মনে করবেন। অ ♦অস্বস্থিকর না হয়ে অস্বস্তিকর হবে। যার অর্থ মনের অশান্তি, অস্বাচ্ছন্দ্য, দৈহিক অচ্ছন্দতা আ ♦আগ্রহউদ্দীপক না হয়ে আগ্রহোদ্দীপক হবে। আগ্রহ+উদ্দীপক (অকার+উকার=ও-কার। কাজেই হ+উ মিলে হো♦আমার ভাই এর রক্তে রাঙ্গানো ২১ শে ফেব্রুয়ারি। আমি কী ভুলিতে পারি?এখানে কী এর বদলে কি হবে। কেননা কি দিয়ে "হ্যাঁ" অথবা "না" জবাব হবে ।♦আল্পণা না হয়ে আলপনা পৃ: ১২৫ ই ♦ইংরেজী না হয়ে ইংরেজি হবে। (বিদেশী) ক ♦কস্ট...

সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫

নিজেকে হারায়ে খুঁজি...

নিতার সাথে ইমন এর সম্পর্কটা সূঁতোয় ঝুলছিল। ইমন আসলে কী চাচ্ছিল নিতা ঠিক বুঝতে পারছিল না। সম্পর্কটা প্রেমের ছিল না। দুই পরিবারের দুই বিবাহিত মানুষ...যুক্তির খাতিরে প্রেম চলে না। খুব বাস্তববাদী দু'জনের সম্পর্ক ছিল ভরসার, বিশ্বাসের । ছিল কাছে গিয়ে বুক ভরে অক্সিজেন নেবার মতো। ইগো মানুষকে যা নয় তাই ভাবতে শেখায় । অধিকারবোধের প্রকাশকে অসম্মান করা ভাবতে শেখায় । আর নিজে অসম্মানিত হচ্ছে ভাবতে কারোই ভালো লাগে না। ইমন-এরও ইগোর সমস্যা বেড়ে যাচ্ছিল। নিতা যতটা আপন ভেবে ইমনের সাথে তার ভাবের দুয়ার খুলে কথা বলতো এর অনেক কথাই ইমন প্রচণ্ড নঞর্থকভাবে নিয়ে সরে যেতে লাগলো নিতার কাছ থেকে...ছেলে-মেয়েতে বন্ধুত্ব হয় না...কথাটা খুব প্রচলিত...। আমার জীবনে...

Page 1 of 26123Next

সোশ্যাল নেটওয়ার্ক

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites